এখন থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের নিউরো রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগে সকাল ৮:০০ টা হতে সন্ধ্যা ৬:০০ টা পর্যন্ত ২ শিফটে এমআরআই পরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হইবে। সকালে ( আন্তঃবিভাগ ও বর্হিবিভাগ) বিকালে শুধুমাত্র (আন্তঃবিভাগ) পরীক্ষা কার্যক্রম চলিবে।

News and Events

Print
Published Date

News and Events

নিরলস সেবা দিচ্ছেন নিউরো সায়েন্সেসের চিকিৎসক ও নার্সরা

আগারগাঁওয়ের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতাল’—একটি অসাধারণ সরকারি হাসপাতাল। গুরুতর অসুস্থ হয়ে এক আত্মীয়র ভর্তি, ১০ দিন অবস্থান ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। 

৩০০ শয্যার এই সরকারি হাসপাতালটির ডাক্তার-নার্সসহ সকল কর্মীরা নিরলসভাবে গুরুতর অসুস্থ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্স কাউকে খোঁজ করে ডেকে আনতে হয় না। নিয়ম করে তারা নিয়মিত আসেন। 

হাসপাতাল থেকে ওষুধ সরবরাহের চিত্রও সন্তোষজনক। হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা খাবারের মান ভালো। ক্যান্টিন-বাথরুম-পুরো হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।

শয্যা সংখ্যার চেয়ে প্রতিদিন দ্বিগুণ-তিনগুণ রোগী আসেন। তবে আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি করা হয় না। ভর্তি হতে না পেরে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় অনেক রোগীকে

বর্তমান ব্যবস্থাপনায় আরও বড় পরিসরে হাসপাতালটি পরিচালনা করা গেলে অধিক সংখ্যক গরিব-মধ্যবিত্ত বিশ্বমানের সেবা পেতে পারতেন। আমি মনে করি, অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনাটা ঠিক করলে, দেশেই ভারত-থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুর মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যেতো। 

কয়েকদিন পরপর একেক জনকে অ্যায়ার অ্যাম্বুলেন্স ডেকে বিপুল অর্থ ব্যয়ে সিঙ্গাপুর পাঠাতে হতো না। একজনকে সিঙ্গাপুর পাঠাতে, চিকিৎসা করিয়ে আনতে যত কোটি টাকা খরচ হয়, তা দিয়ে হয়তো এসব হাসপাতালে কয়েক হাজার মানুষের কয়েক মাস সেবা নিশ্চিত হতে পারে। তা হয়তো হওয়ার নয়, কারণ দেশে চিকিৎসা নেওয়ার কথা বলা, আমাদের রাজনীতিবিদদের কাছে কথার কথা’র চেয়ে বেশি কিছু নয়।

সংযুক্তি: জাতীয় হৃদরোগ ইনন্সিটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেলসহ সরকারি হাসপাতালগুলো যে কোনো বেসরকারি হাসপাতালের চেয়ে ভালো সেবা দেয়। সামর্থ্যের চেয়ে পাঁচ সাতগুণ বেশি রোগীর সেবা দিতে হয় বলে তা দৃশ্যমান হয় না। ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে মেশিন নষ্ট থাকে, কিছু ডাক্তার ফাঁকি দেন। অধিকাংশ ডাক্তার অধিক পরিশ্রম করেন। অনেকেই দ্বিমত করতে পারেন। কারণ ব্যবস্থাপনার দিকটা আমরা বিবেচনায় নেই না এবং ডাক্তারদের গালাগালি করতে পছন্দ করি।

 news prothomalo

প্রথম আলো -শুক্রবার - 29/07/2022

Newspaper Prothomalo